published : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১
অবাক হচ্ছেন?-এই কথাটা মনে হয় এতদিন অন্যভাবেই শুনে এসেছেন-‘খাও-পিয়ো-এ্যাশ কর, আগামীকাল বাঁচবে কিনা বলতে পারো!”
কিন্তু প্রচলিত বাক্যের ফলাফল খুব একটা সুবিধার নয়। তাই আয়েশের পরিণাম আজকাল কেবলই ‘বরবাদি'। কিন্তু আমরা যা-ই বলি না কেন, গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আপনি কোন দলে। আপনার যদি মনে হয় আয়েশ করে-আড্ডা দিয়ে-প্রেম করে জীবনকে উপভোগ করা যায়, তাহলে বলতে হবে ‘সিনেমা শেষ বাপু, এবার হল থেকে বেরোন!’ হ্যাঁ, চোখ কান খুললেই বুঝতে পারবেন রূপালি পর্দার চাকচিক্য আর বাস্তবতা এক নয়।
বরং ব্যাপারটাকে একটু ঘুরিয়ে চিন্তা করুন। ধরুন, একদিন সকালে আপনাকে ৮৬,১৮৪ টাকা দিয়ে বলা হলো সারাদিন এর থেকে যত খুশি খরচ করতে পারবে। কিন্তু শর্ত হলো যতটুকু পারবে না তা দিনশেষে ফেরত দিতে হবে। কী করবেন আপনি? চেষ্টা করবেন সবটা খরচ করতে, অন্তত যদি বুদ্ধিমান হয়ে থাকেন। আমাদের জীবনটাও এমনি। প্রতিদিনের ৮৬,১৮৪ সেকেন্ড মিলেই আমাদের জীবন। চেষ্টা করুন সবগুলো মুহূর্ত কাজে লাগাতে। আর আপনার এ চেষ্টাকে সফল করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী উপায় হচ্ছে রুটিন।
কী বললেন? রুটিন হচ্ছে যান্ত্রিকতা? বোরিং? হুঁম। কোয়ান্টাম জীবনে স্বাগতম। এতদিন যাকে রুটিন ভেবে এসেছেন তা আসলেই বোরিং। তার চেয়ে চলুন কোয়ান্টামের রুটিনটা দেখা যাক।